fbpx

যৌনতার শিক্ষায় তামিল ছবি, যৌনতার খোঁজে নায়িকা অক্ষরা হাসান

রাজকুমার মণ্ডল, কলকাতা : যৌন শিক্ষায় চলচিত্রের ভুমিকা বরাবরই রয়েছে। এরকমই এক তামিল ছবিতে হাজির অক্ষরা। অক্ষরা হাসানের (‌ Akshara Haasan )‌ তামিল ছবি ‘‌আছাম ম্যাডাম নানাম পাইরপ্পু’‌ যৌনশিক্ষার বার্তা বহন করেছে। অক্ষরার কথায় আছাম ম্যাডাম নানাম পাইরপ্পু সম্পর্কে অক্ষরা হাসান ছবিটি যৌন শিক্ষার উপর এক চলচ্চিত্র যা আরো বেশ কয়েকটি এরকাম চলচিত্রের দরজা খুলে দেবে।, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে অক্ষরা হাসানের তামিল ছবি আছাম ম্যাডাম নানাম পেইরপ্পু (‌ Akshara Haasan )‌ । ছবিতে অক্ষরা যৌনতার খোঁজে সচেষ্ট থাকা এক তরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অক্ষরা হাসান।akshara haasan

তামিল ছবি আছাম ম্যাডাম নানাম পেইরপ্পু-‌র নির্মাতা রাজা রামমূর্তি দ্বারা পরিচালিত। ছবিটি একজন যুবতীর যৌনতার খোঁজের কথা বলে। অক্ষরা হাসান প্রেমিকের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় অথচ আপত্তিও রয়েছে। অক্ষরা মনে করেন যে ছবিটি যৌনতা, ঘনিষ্ঠতা এবং নারীর যৌন ইচ্ছাকে অনেক সংবেদনশীলতা এবং পছন্দসই হাস্যরসের সাথে খোলামেলা ভাব প্রকাশ করে। যৌনতার শিক্ষার বিষয়ে আরও অনেক গল্পের দরজা খুলে দেয়। অক্ষরা (‌ Akshara Haasan )‌ বলেন “আমি সত্যিই বিষয়টির দোষগুন বিচার করেই পছন্দ করেছি। ফিল্মটি যৌনতার খোঁজ এবং যৌন ইচ্ছা সম্পর্ক কথা বলে, চিকিৎসার বিষয়েও অনেক ভাবনা ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। আমার চরিত্র ও অভিজ্ঞতার কাজে ব্যবহার করার মধ্য দিয়ে যায় তা খুব সম্পর্কিত। আমরা সবাই আমাদের নিজস্ব উপায়ে এর মধ্য দিয়ে চলেছি। এছাড়াও, আমি এই গল্পটি বলার এবং এই চলচ্চিত্রটি তৈরি করার জন্য আমার পরিচালকের প্রত্যয় এবং দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দসই ।”

আরও পড়ুন ১২ বছরের বিষ্ময়বালক, দুবছর তাঁবুতে রাত কাটিয়ে মহৎ কাজে সংগ্রহ সাত কোটি

আছাম ম্যাডাম নানাম পেইরপ্পু ছবিতে অক্ষরা পবিত্রা নামে একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যিনি তার মায়ের কথামতোই জীবনযাপন করতেন। অথচ তার বাবা-মা চিরাচরিত জীবনে বিশ্বাসী। তখনই পবিত্রা তার প্রেমিকের সাথে সেক্স  (‌ Akshara Haasan )‌ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে তার দুই প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে সেক্স নিয়ে আলোচনা করে। অক্ষরা আশাবাদী এই ছবিটি আরও অনেক চলচ্চিত্রের দ্বার উন্মোচন করবে। তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য যৌনতার শিক্ষা প্রদানের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারে। “আমি আশা করছি এই জায়গায় আরও অনেক ছবি আসবে। একটা ভালো ছবি বানানোর কথা মাথায় রেখেই আমরা এই ছবিটি বানিয়েছি। যদি সেই ইচ্ছাতেই আরও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের এই ধরনের গল্প নিতে উৎসাহিত করে, তাহলে আমরা খুশি হব।”  ছবির কাজ কোভিড মহামারীর অনেক আগেই শেষ হয়েছিল। মুক্তির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করা হয়েছে।

 

google-news-icon

লেটেস্ট খবর