fbpx

Anuradha Ray: সেকালে রূপের ঝলকে দাপিয়েছেন টলিউড! বয়সের ভাঁজে আজ অনস্ক্রিন ‘ঠাম্মি’ অনুরাধা রায়

রুপোলী পর্দার মিষ্টি অভিনেত্রীকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে দেখা যায় না খুব একটা। তবে অতি সম্প্রতি তিনি এক সংবাদমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

জয়িতা চৌধুরি,কলকাতাঃ যেমন লাজুক, তেমনই মুখচোরা! বকুল কথা-র শান্ত, স্নিগ্ধ সেই ঠাম্মির কথা মনে পরে? রিলের বাইরে তিনি অভিনেত্রী অনুরাধা রায় ( Anuradha Ray )। বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী ছোট- বড় পর্দা কাঁপিয়ে চলেছেন বহু দশক ধরে। টলিমহলে আছেন আজ প্রায় ত্রিশ-বত্রিশ বছর। রুপোলী পর্দার মিষ্টি অভিনেত্রীকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে দেখা যায় না খুব একটা। তবে অতি সম্প্রতি তিনি এক সংবাদমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির অজানা কাহিনি। যে গল্প শ্বশুরবাড়ির ক্ষেত্রে খুব একটা বেশি নজরে আসে না। নায়িকা জানিয়েছেন অভিনয় কেরিয়ারে আসার ইচ্ছে তাঁর কোনো কালেই ছিল না। ছোটবেলা থেকে নাচ-গান করতেন তিনি। থিয়েটারও করেছেন বছর ২৫ ধরে। কিন্তু সিনেমা জগতে প্রবেশ একপ্রকার কাকতালীয় ভাবেই। অজয় বন্ধ্যোপাধ্যায় যিনি সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে বহু সিনেমায় কাজ করেছেন তাঁর সঙ্গে পরিচিতি ছিল অভিনেত্রীর শ্বশুরের।

anuradha 1

শ্বশুরের মাধ্যমেই সিনেমা করার সুযোগ পান অভিনেত্রী। লাজুক প্রকৃতির হওয়ার জন্য প্রথমে পর্দার সামনে আসতে ভয় পেতেন অভিনেত্রী। কিন্তু ধীরে ধীরে অভস্ত্য হতে হয়। শ্বশুরবাড়ির সবাই জোরও করেন তাঁকে। তবে পরবর্তীকালে কাজ করতে বেশ মজার ও ভয়ের পরিস্থিতির সাক্ষী থেকেছেন অভিনেত্রী। টলিউডে অভিনয় জীবন খুবই মসৃণ ছিল অভিনেত্রীর। কখনো কারোর কাছেই হাত পেতে কাজ চাইতে হয়নি।

একবার একটা চরিত্রে নায়িকাকে অভিনয় করতে হয়েছিল যেখানে তাঁকে মেরে ফেলা হচ্ছে এবং তিনি প্রেতাত্মা হয়ে যাবেন। এই শুটিংয়ের জন্য অভিনেত্রীকে সকাল আটটা থেকে খোলা চুল, রক্ত মাখা শরীরে বসে থাকতে হত রাত এগারোটা পর্যন্ত। তখন নিজের প্রতি নিজের রাগ হত নায়িকার।তখন শ্বশুরবাড়ির যাঁরা সঙ্গে নেই অথচ জোর করেছিলেন কাজ করার জন্য তাঁদের প্রতি রাগ হতো নায়িকার।

anuradha 2

অনুরাধাকে শেষবারের মত বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল ‘আইসবার্গ ক্রিয়েশনস’-এর ছবি ‘আকরিক’-এ। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Victor Banerjee), অঙ্গনা বসু, সুদেষ্ণা চক্রবর্তী, সুপ্রতীম রায়, জয়শ্রী অধিকারী, অনিন্দ্য সরকার, অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায় ও শিশু শিল্পী স্বপ্নদ্বীপ অধিকারী, অঙ্কন মল্লিক। ছবির পরিচালনা করেছেন তথাগত ভট্টাচার্য। এই ছবির মূল গল্প এক ৭৫ বছরের বৃদ্ধ ও ১০ বছরের ছেলের সম্পর্কের। এই ব্যক্তি চিরকার যৌথ পরিবারের ছাতায় বড় হয়েছেন সকলের সঙ্গে মিলেমিশে। অন্যদিকে ১০ বছরের বাচ্চা ছেলেটির জীবনে মা ছাড়া কেউ নেই। সিঙ্গল মাদার তার মা।

google-news-icon

লেটেস্ট খবর