fbpx

Sanjay Dutt : মুম্বই বিস্ফোরণ যোগে কারাবাস! মাছি বসা খাবার খেয়ে, ঠোঙা বানিয়েই জেলে দিন কেটেছিল সঞ্জু বাবার

লোহার দরজার কড়া নড়ল। ছুঁড়ে দেওয়া হল আধ পোড়া রুটি আর একবাটি জলের মতো ডাল। প্রথমে খেতে ইচ্ছে না করলেও পরে খিদের তাড়নায় খেতে হয়েছে এই বেরসিক অমানবিক খাবার। শুধু তাই নয় খাবারের চারপাশে ভনভন করে উড়ছে মাছি, কোথাওবা মরে পড়ে রয়েছে। খিদের তাড়নায় খেতে হয়েছে এই মাছি পরা খাবারই। চোখ ফেটে বেড়িয়ে এসেছে জল। কিন্তু সেই জলও একদিন শুকিয়ে যায়। ভাবনা শুরু হয়, এখন এটাই জীবন। 

আজ বলিউডের সঞ্জু বাবার জন্মদিন ( Sanjay Dutt )। বলিউড স্ট্রংম্যানকে আমরা চিনি ড্যাসলিং সোয়্যাগ হিরো হিসাবে। কিন্তু তাঁর পিছনে লুকিয়ে আছে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়। সেই অন্ধকার সময় নিয়ে মুখ খুললেন সঞ্জয় দত্ত ( Sanjay Dutt ) নিজেই। একটি সংবাদমাধ্যমের সাথে কথোপকথনে তাঁর এই ভয়ানক অভিজ্ঞতা কথা বলত গিয়ে চোখে জল চলে আসে সঞ্জু বাবার। সকলেই কমবেশি জানি, একসময় তিনি তলিয়ে গিয়েছিলেন নেশার অতলে। তবে তিনি ( Sanjay Dutt ) একেবারেই ভেঙে পড়েননি বরং জোর দিয়ে বলেছেন দেশি কায়দায় সিক্স প্যাক অ্যাপ তৈরি করেছিলেন বলিউড হাল্ক। 

sanjay dutt 2

এছাড়া স্মৃতি উন্মোচনে সঞ্জু তুলে ধরেছেন তাঁর ( Sanjay Dutt ) জেল জীবনের কিছু তুলনামূলক ভাল মুহূর্ত। যেমন জেলে তিনি শিখেছিলেন কাগজের ব্যাগ তৈরি করা। এই কাগজের ব্যাগ তৈরি করে দিনে ৫০ টাকা আয় করতেন। আর জেলের বিনোদনের দায়িত্ব নাকি ছিল তারই উপর। জেলের অভ্যন্তরে কমিউনিটি রেডিওতে জকি হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি ( Sanjay Dutt )। তাছাড়াও অন্যান্য জেলের কয়েদীদের তাঁর সিনেমার না না অংশ অভিনয় করেও দেখাতেন বলেই জানিয়েছেন বাবা ( Sanjay Dutt )।     

আরও পড়ুন- Bismillah: ডিজে কালচারের ছোঁয়ায় মৃত ভারতীয় সংস্কৃতি! এবার ‘বিসমিল্লাহ’র সানাইয়ের সুরেই ফুটবে নতুন আলো

জানা গেছে, মারণ ভাইরাস ক্যান্সারের থাবা বসেছে অভিনেতা জুনিয়ার দত্তের শরীরে। গত মঙ্গলবার রাতেই স্টেজ থ্রি-তে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি মার্কিন মুলুকেও উড়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা করছেন অভিনেতা ও তার পরিবার। কিন্তু সমস্যা দানা বাঁধছে ভিসা নিয়ে। কারণ মুম্বাই বিস্ফোরণ। সেই অভিশাপ আজও পিছু ছাড়েনি বাবার ( Sanjay Dutt )। সালটা ১৯৯৩। মুম্বাই বিস্ফারণের জেরে গ্রেফতার হয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত। বেআইনি অস্ত্র মজুত রাখার জন্য গ্রেফতার হতে হয়েছিল সঞ্জয়কে ( Sanjay Dutt )। যদিও গ্রেফতারির পরে জামিনে মুক্তিও পেয়েছিলেন সঞ্জয় ( Sanjay Dutt )।

sanjay dutt

 ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণিত না হলেও বেআইনি ভাবে নিজের কাছে একে-৫৬ রাইফেল এবং পিস্তল রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন সঞ্জু ( Sanjay Dutt )। ২০০৭ সালে তাঁকে ৬ বছরের জন্য কারাদণ্ড দেয় আদালত। অবশ্য ১৮ মাস জেল খেটেই জামিনে মুক্ত হন তিনি। কারণ উচ্চতর আদালতে ঐ রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানিয়েছিলেন। ২০১৩ সালের মার্চে সেই আদালতও সঞ্জয়কে কারাদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। আবার জেলে ফিরতে হয় মুন্নাভাইকে। ক্ষমাপ্রার্থনা করে তিনি যে আবেদন করেছিলেন, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল তা একেবারে খারিজ করে দেন। পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলে থাকাকালীন একাধিক বার প্যারোলে মুক্তি হয়েছেন সঞ্জয়। ২০১৩-র মে থেকে ২০১৪-র মে পর্যন্ত সঞ্জয় দত্ত ( Sanjay Dutt ) ১১৮ দিন জেলের বাইরে কাটিয়েছিলেন। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে নানান মহলে।

আরও পড়ুন- Mithai: হাজারও গোলাপ ঘিরে তাঁকে! বাথটাবে শুয়ে যেন ‛মিঠাই’ হয়ে উঠেছে আরও লাবণ্যময়ী

google-news-icon

লেটেস্ট খবর