fbpx

Elon Mask: চোখে থাকবে স্ক্রিন, মস্তিষ্ক হয়ে উঠবে কম্পিউটার! কালজয়ী আবিষ্কারে বদলে যেতে চলেছে মানবজীবন

নিউরালিঙ্ক একটি বিশেষ ধরণের মেশিন তৈরি করেছেন। এই মেশিনের মাধ্যমে জানা যেতে পারে মানুষের মাথার ভিতর কি চলছে!

জয়িতা চৌধুরি,কলকাতাঃ আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সারা বিশ্ব চেনে ইলন মাস্ককে। ভারতের মানুষ চেনেন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট (১) উৎক্ষেপণে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের কারণে। এগুলি ছাড়াও মাস্কের আরও কয়েকটি প্রযুক্তি কোম্পানি আছে। তাদের মধ্যে কোনটা সুরঙ্গ তৈরি করতে পারে, কোনটা আবার মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে কি চলছে তা জন্য। এমনই এক কোম্পানি হল নিউরালিঙ্ক। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও সম্প্রতি একটি যন্ত্রের ঘোষণার দরুন তা সংবাদের শিরোনামে এসেছে।

newralink

নিউরালিঙ্ক একটি ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস তৈরী করেছে। সহজ ভাবে বললে সূতোর মত সরু সরু কিছু কানেক্টর/থ্রেড মানুষের ব্রেইনে ঢুকোনোর ব্যবস্থা থাকবে। তারগুলো মাথার খুলির উপর থাকা একটি ছোট্ট চিপের সাথে যুক্ত হবে। সেই চিপটি কানের সাথে যুক্ত একটি যন্ত্রের মাধ্যমে মস্তিস্ক থেকে বিভিন্ন নির্দেশ সিগন্যাল হিসেবে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পাঠাবে। আর সেই সিগন্যাল ব্যবহার করে পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীরা হাত পা না নাড়িয়ে, এমনকি কোন শব্দ না করেই শুধু চিন্তা করার মাধ্যমে কোন একটি যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

newralink 1

মানব সভ্যতার ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এটি একটি বৃহত্তম আবিষ্কার। মেশিনটিতে ৯৬ টি তন্তুর এক একটি অ্যারেতে সব মিলিয়ে ৩০৭২টি ইলেক্ট্রোড আছে। এগুলি একসঙ্গে একাধিক ডেটা পরিবহন করতে পারে। তন্তুগুলি ব্যাস ৪ থেকে ৬ মাইক্রোমিটার অর্থাৎ মানুষের চুলের থেকেও কম সূক্ষ। এই তন্তুর পাশাপাশি নিউরালিঙ্ক আরেকটি যন্ত্র তৈরী করেছে যেটি তন্তুগুলোকে অটোমেটিক ব্রেইনে ঢুকিয়ে দিতে পারে। গবেষণার তথ্য গোপন থাকলেও গত সপ্তাহে ইলন মাস্ক একটি বিজ্ঞান সভায় তাঁর কোম্পানির অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নিউরালিঙ্কের উদ্দেশ্য হলো নিউরালিঙ্কে মেধাবী কর্মীদের জয়েন করতে উৎসাহিত করা।

please ass

আপাতত ল্যাবে বিভিন্ন প্রাণীর উপর এই যন্ত্রের প্রয়োগ করা শুরু হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি বানর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণা এখনো চলছে। এই যন্ত্রের আবার একটি আইফোন অ্যাপও আছে। মাস্ক সংবাদমাধ্যমকে আরও জানান আগামী বছরের শেষের দিকে এই মানব শরীরে প্রবেশ করানো হবে। গবেষকরা মনে করছেন অদূর ভবিষ্যতে তারা মস্তিষ্কের ভিতরে লেজার বিমের মাধ্যমেই এই তন্তুগুলো যুক্ত করতে পারবেন যেখানে বর্তমানে একই কাজের জন্য ড্রিল মেশিন দিয়ে ছিদ্র করতে হচ্ছে। এমনকি মাস্ক এটাই জানান যে তারা আগামী বছরের শেষদিকে মানব মস্তিষ্কে এটি প্রবেশ করাতে সক্ষম হবেন। এজন্য একটি রোবট তৈরি করা হয়েছে যেটি এই সার্জারিগুলো করবে।

google-news-icon

লেটেস্ট খবর