fbpx

Haunted Tihar Jail: কেউ যেন বারংবার ধাক্কাচ্ছে লৌহ কপাট! রাত বাড়লে ভয়ে তাকাতেও চান জেলের এই ওয়ার্ডের বন্দিরা

রাখী পোদ্দার, কলকাতা : দিল্লির ( Tihar) তিহার জেল ( Tihar Jail), শোনা যায় এটি নাকি এশিয়ার সর্ববৃহৎ এবং ভয়ংকর একটি জেল। এটি এমন একটি জেল যেখানে রাতের বেলা তো দূর দিনের আলোতেও যেতে আতঙ্কে শিউরে ওঠে বড় বড় অপরাধিরাও। এমনিতেই ভয়ংকর একটি জেল তার ওপর যদি শুনতে পাওয়া যায় যে এই জেলটিতে রয়েছে অশরীরী আত্মাদের বাস, তাহলে ব্যাপারটা তখন কেমন দাঁড়াবে? আজ আমরা তিহার জেল সংক্রান্ত এমনই কিছু ভুতুড়ে ঘটনা সম্পর্কে আলোচনা করব। যার হয়ত ব্যাখ্যা দেওয়া সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

ওখানে বন্দী অপরাধীদের থেকে শুনতে পাওয়া যায়, এই জেলে রাত ২ টোর তাঁরা অনুভব করতে পারেন যে, তাঁদের হয়ত কেউ চড় মারছে। অথচ চড় খাওয়ার মুহূর্তে সেই সময় কেউ থাকে না আশেপাশে। তা সত্ত্বেও অপরাধীদের তাহলে চড় কে মারছে সেই প্রশ্ন থেকে যায় অধরাই। আর এই ঘটনা তখন সামনে আসে যখন এক অপরাধী যে কিনা তিন তিনটে খুনের অপরাধে এসেছিল তিহার জেলে। সেই অপরাধীকে রাখা হয়েছিল সেল নম্বর ৩।

Tihar Jail
Tihar Jail

যখন তাঁকে সেই জেলে ( Tihar Jail) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন বাকি অপরাধীরা তাঁকে সাবধান করলেও সে ভাবে হয়ত এরা তাঁর সঙ্গে মজা করছে। প্রথম ১ থেকে ২ দিন স্বাভাবিক ভাবেই কাটলেও তৃতীয় নম্বর দিন থেকে তাঁর সঙ্গে শুরু হয় বিভিন্ন অলৌকিক সব ঘটনা। সেই অপরাধী ওই ৩ নং সেলে ছিল তো একাই কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই সেলে কারও উপস্থিতি অনুভব করতে পারত সেই অপরাধী। একবার রাত ৩টের সময় হঠাৎই সে তাঁর গালে অনুভব করে চড়ের। কিন্তু যখন সে আশে পাশে তাকিয়ে দেখে কে তাঁকে মেরেছে এই চড় তখন নাকি দেখা যায় তাঁর পাশে কেউ নেই।

Tihar Jail
Tihar Jail

শুধু এই একজন নয় এই জেলে ( Tihar Jail) থাকা এরকম একাধিক অপরাধীদের সঙ্গে ঘটেছে এরকম ব্যাখ্যা হীন ঘটনা। অনেকেই এই জেলে অনুভব করেছে বিভিন্ন ধরনের সব অস্বাভাবিক ঘটনা। এমনকী অনেক সময় এরকমও হয়েছে যখন সেখানে থাকা প্রত্যেক অপরাধীরাই দেখেছে একই ভয়ংকর স্বপ্ন। এখন আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন, একই স্বপ্ন সবাই একসঙ্গে কীভাবে দেখতে পারে? কিন্তু আপনাকে জানিয়ে রাখি এটাই হল এই জেলের ভয়ংকর সত্যি। যার ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয় কারও পক্ষে।

Tihar Jail
Tihar Jail

এই রকম ভয়ংকর স্বপ্ন দেখার পর সেখানকার সকল অপরাধীদের শরীর হয়ে পড়ত খারাপ। বমি হত অনেকের, অনেকের মাথা ঘুরত। তাঁদের অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে পড়ত যে তাঁদের ডাক্তার দেখাতে হত। এখানে বহুদিন যাবৎ থাকা অপরাধীদের কথায়, এই জেলে তাঁদের আত্মাই ঘুরে বেড়ায় যাঁদের এখানে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। শোনা যায়, যেহেতু জেল নম্বর ৩ ফাঁসি কুঠুরির সব থেকে কাছে তাই এখানেই ঘুরে বেড়ায় ফাঁসি দেওয়া অপরাধীদের আত্মা।

google-news-icon

লেটেস্ট খবর