fbpx

মধ্যযুগের কিছু নির্দয়কর শাস্তি! যা জানলে শরীর শিউরে উঠবে আপনারও

ইতিহাসের পাতা সুন্দর হলেও অপরাধীদের জন্য তা ছিল কষ্টদায়ক। জেনে নিন এমন কিছু শাস্তি ব্যাবস্থা যা ছিল খুবই নির্দয়।

অহেলিকা দও, কলকাতা : মানবজাতির ইতিহাসে ( Historical Story ) সবচেয়ে খারাপ সময় বলতে উল্লেখিত মধ্যযুগ। কারণ এই সময় কোনো অপরাধিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যে নির্দয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হত তা জানলে শরীর শিউরে উঠবে। ইতিহাসের ( Historical Story ) পাতা সুন্দর হলেও অপরাধীদের জন্য তা ছিল কষ্টদায়ক ( painful )। জেনে নিন এমন কিছু শাস্তি ( punishment ) ব্যাবস্থা যা ছিল খুবই নির্দয়।

ব্রজেন ষাঁড় ( Brazen Bull )

ব্রজেন ষাঁড় , যা ব্রোঞ্জ ষাঁড় , সিসিলিয়ান ষাঁড় বা ফালারিসের ষাঁড় নামেও পরিচিত। এটি প্রাচীন গ্রিসে ডিজাইন করা একটি নির্যাতন ও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যন্ত্র ছিল। ব্রজেন ষাঁড়টি একটি প্রকৃত ষাঁড়ের মতোই দেখতে ছিল। এবং এর মধ্যে একটি শাব্দিক যন্ত্র ছিল যা চিৎকারকে ষাঁড়ের শব্দে রূপান্তরিত করতো। এটি এমনই এক নির্দয়কর শাস্তি ( Historical Story ) ছিল যেখানে অপরাধীকে এই ষাঁড়ের মধ্যে রাখা হত এবং নীচে জ্বালিয়ে দেওয়া হত আগুন। এই আগুনের উত্তাপের গরম এবং আস্তে আস্তে শরীরের চামড়া পুড়ে অবশেষে মানুষটির মৃত্যু হত।

Historical Story
Historical Story

নেকলেসিং ( Necklacing )

নেকলেস শব্দটি ১৯৮০ সালের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার কালো জনপদে উদ্ভূত হয়েছিল যেখানে সন্দেহভাজন সহযোগীদের এক অদ্ভুত পদ্ধতিতে শাস্তি দেওয়া হত। এই শাস্তিতে ( Historical Story ) অপরাধীর শরীরের মাপ অনুযায়ী একটি টায়ারের ব্যাবস্থা করা হত এবং টায়ারটি গ্যাসিলিন জাতীয় পদার্থ দ্বারা ভিজানো থাকত। অবশেষে সেই টায়ারটি এমনভাবে আটকে দেওয়া হত যাতে অপরাধী ওই টায়ার থেকে বের না হতে পারে এবং টায়ারে জ্বালিয়ে দেওয়া হত আগুন। এই উওপ্ত টায়ার জ্বলতে জ্বলতে ব্যাক্তিটির চামড়ার মধ্যে ঢুকে যেত এবং ওই ব্যক্তিটির খুব কষ্টদায়ক মৃত্যু ঘটত।

Historical Story
Historical Story

বালতিতে ইঁদুর ( Rat in bucket )

নামের মতোই শাস্তিটাও অদ্ভুত। ইঁদুর কি আবার মানুষ মারতে পারে? আসলে এই শাস্তিতে চার-পাঁচটা ইঁদুর একটি বালতিতে রাখা হয় আর বালতিটি উল্টিয়ে অপরাধীর পেটের উপর রাখা হত। কিছু সময় পর ইঁদুরগুলো গরম সহ্য করতে না পেরে সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য রাস্তা খুঁজত আর তাদের জন্য একমাত্র রাস্তা মানুষের পেট। আর ইঁদুরগুলো পেট চিরে শরীরে ঢুকে যেত। ১৭ শতকের ইউরোপে ( Historical Story ) ডাচ বিদ্রোহের সময় ডাচ নেতা ডিডেরিক সোনে বন্দীদের বিরুদ্ধে এই কৌশলটি ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু এই কৌশলটি ২০ শতকের শেষের দিকেও ব্যবহৃত হয়েছিল। ইঁদুর নির্যাতনের সবচেয়ে পৈশাচিক রূপগুলির মধ্যে একটি হল এই অত্যাচার।

আরও পড়ুন….আজও এই অদ্ভুদ সৌন্দর্যের ব্যাখা কেউ দিতে পারেনি, জেনে নিন পৃথিবীর অদ্ভুদ পাঁচটি জায়গার নাম

এই অমানবিক অত্যাচারগুলো সহ্য করতে হত সেযুগে মৃত্যুবরণ করার জন্য। এই শাস্তিগুলো পড়ে নিশ্চয় ভাবছেন যে আমরা কতটা ভাগ্যবান যে সেই সময় আমাদের জন্ম হয়নি। পৃথিবী আস্তে আস্তে পরিবর্তনের সাথে সাথে এই অমানবিক কষ্টদায়ক শাস্তিগুলো আর ভোগ করতে হয়না।

আরও পড়ুন….আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে কুসংস্কার ভরসা!ছাত্রীদের ভূতের ভয় তাড়াতে ভরসা পুরোহিত,মৌলবিরা।

google-news-icon

লেটেস্ট খবর