fbpx

৫ বছরেই সত‍্যজিত রায়ের ক্যামেরায়! দাদাগিরির মঞ্চে ছলছল চোখে কুশল শোনালেন সোনার কেল্লার মুকুলের গল্প

 

 

রিয়া পাল,কলকাতা:পর্দায় অনেক ফেলুদাই এসেছে। কিন্তু সত্যজিৎ রায় এর তৈরি চরিত্রকে টেক্কা দেওয়া তো দূরের কথা ধারে কাছেও আসতে পারেনি কোনো পরিচালক। তিনি একদিকে পরিচালক, লেখক, ডিজাইনার, আবার অন‍্যদিকে সুবক্তাও বটে। আজও বিশ্বের কাছে তার নাম নিতে গর্ব বোধ করে বাঙালিরা। তাঁরই এক আশ্চর্য সৃষ্টি ‘সোনার কেল্লা’ (Sonar kella)। সিনেমাটি মুক্তির পর প্রায় কয়েক দশক কেটে গেছে তবুও মানুষের কাছে তা আজও নতুন আর জোর দিয়ে বলাই যায় এটা কোনোদিন পুরোনো হবে না। এই ছবির মাধ্যমেই প্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘ফেলুদা’কে খুঁজে পেয়েছে বাঙালি।

ছবিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বর্তমানের জনপ্রিয় অভিনেতা কুশল চক্রবর্তী। ছবিতে জাতিস্মর মুকুলের চরিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘সর্বজয়া’য় দেবশ্রী রায়ের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করতে। কিন্তু কেরিয়ারে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এলেও, আজও তার গর্ব করার মত চরিত্র ওই মুকুলই।

sonar kellaসম্প্রতি ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে এসেছিলেন সর্বজয়া ধারাবাহিকের পুরো টিম সহ কুশল(kushal chakraborty in dadagiri) আর সামনে সোনার কেল্লার মুকুলকে পেয়ে সত্যজিৎ রায়ের সাথে কুশলের কাজের অভিজ্ঞতা(Kushal Chakraborty shares sonar kella experience)র কথা শোনার লোভ সামলাতে পারেনি সৌরভ গাঙ্গুলি। আর এমন লোভনীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়াও করেননি কুশল চক্রবর্তী। অভিনেতা জানান, সোনার কেল্লায় অভিনয়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ৫ বছর। ছোট থেকেই তার থিয়েটারে আগ্রহ ছিল। অভিনেতার বাবাও ছিলেন থিয়েটার শিল্পী। তিনিই ছোট্ট কুশলকে নিয়ে গিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়ের কাছে।

আরও পড়ুন….এ যেন জেড প্লাস সিকিউরিটির থেকেও বেশি সুরক্ষা। নিম্নত্রনপত্র ছাড়া প্রবেশে ইলেকট্রিক শক রন-আলিয়া বিবাহে

অমন বহুমুখী প্রতিভাবান ব‍্যক্তির সামনে দাঁড়িয়ে সেদিন ছোট্ট কুশল অভিনয় করে দেখাতেও রাজি ছিল। এমনকি পরিচালকের সামনে সেদিন অভিনয় করেও দেখিয়েছিলেন ৫ বছরের কুশল। কলকাতা ও রাজস্থান মিলিয়ে শুট হয়েছিল। রাজস্থানে যখন শুটি‌ং হয় তখন শীতকাল। সবাই সোয়েটার, মাংকি ক‍্যাপ পরে শুট করেছেন। এদিকে কলকাতায় তখন ভীষণ গরম। কিন্তু সামঞ্জস্য রাখতে সোয়েটার পরেই করতে হয়েছিল শ্যুটিং।

ছবির শেষের দিকে সোনার কেল্লার মধ‍্যে মুকুলের কাঁদার একটি দৃশ‍্য ছিল। সেটি শুট হয়েছিল কলকাতায়। তাই সোনার কেল্লার সেট বানাতে সেই সময় বেশ মোটা অঙ্কের টাকা খরচ হয়েছিল। সত্যজিৎ কুশলকে সেই সময় জিজ্ঞেস করেছিলেন তুমি পারবে তো? কুশল বলেন, “এখন বলতে গেলে হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যেত। কিন্তু তখন বলেছিলাম, হ‍্যা পারব। তুমি বানাও।”

google-news-icon

লেটেস্ট খবর