fbpx

Pratyusha Sarkar: বাংলা মিডিয়ামদের চাকরি নেই! বঙ্গ হারাচ্ছে মাতৃভাষা? ফুঁসে উঠলেন কল্য়াণীর প্রত্য়ুষা

বাংলা মিডিয়ামের ছাত্রী শুনেই মুখ ঘুরিয়ে নিলেন স্কুলের নিয়োগ কর্তৃপক্ষ! কল্যাণীর তরুণী প্রত্যুষা সরকারের ঘটনায় ছড়াল চাঞ্চল্য

মন্টি শীল, কলকাতা: ইদানিং রাজ্য তথা তথা রাজনীতি রীতিমত তোলপাড় হয়ে রয়েছে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করে। এমনকী এই ঘটনার দরুন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এখনও আন্দোলনরত রয়েছেন অগণিত চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু এরই মাঝে  সূত্রপাত ঘটল এক নতুন বিতর্কের। আর এই বিতর্ক যাকে কেন্দ্র করে তাঁর নাম প্রত্যুষা সরকার (  Pratyusha Sarkar )। জানা গিয়েছে, কল্যাণীর তরুণী প্রত্যুষার স্বপ্ন, সে ভবিষ্যতে একজন স্কুল শিক্ষিকা হবেন। গড়ে তুলবেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

আর সেই মত ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক সম্পূর্ণ করার পর তিনি বিএড-এর পড়াশোনা শেষ করেছেন,  মাস্টার্স সম্পূর্ণ করেন। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ করেছেন মাস্টার্সও। এরপর স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যুষা সরকার ( Pratyusha Sarkar )  স্কুল সার্ভিস কমিশনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সঙ্গে শিক্ষকতায় নিজের অভিজ্ঞতাকে আরও মজবুত করার জন্য বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল গুলোতে চাকরির জন্য আবেদন করছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী প্রত্যুষা সরকার ( Pratyusha Sarkar )। সূত্র অনুযায়ী, বেশ কিছু দিন আগে সোদপুরের এক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে চাকরির জন্য আবেদন করেন।

3c32

আর তাঁর সেই আবেদন মত গত বুধবার সোদপুরের সেন্ট্রাল পয়েন্ট স্কুল থেকে প্রত্যুষা’কে ফোন করা হয়। জানা গিয়েছে, স্কুল থেকে ফোন করার পর প্রত্যুষা’কে জানানো হয় যে তিনি এই চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁর নাম জানার পর প্রত্যুষা’কে প্রশ্ন করা হয়, ‘তিনি যে স্কুল গুলি থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন সেগুলো ইংরেজি মাধ্যম নাকি বাংলা মাধ্যমের?’ উত্তর প্রত্যুষা সরকারের কাছ থেকে বাংলা মাধ্যম শোনার পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষ কিছু উত্তর না করেই ফোনটি কেটে দেন। যার পর স্বাভাবিক ভাবেই বেজায় চটে যান সেই চাকরি প্রার্থী। উক্ত স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এমন আচরণ মেনে নিতে না পেরে সোশ্যাল মিডিয়াতে সরব হন প্রত্যুষা সরকার।

শুধু তাই নয়, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পাল্টা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ফোন করেন। এমনকী সেই ফোনের ওডিও রেকর্ডিংটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। তাঁর মূলত অভিযোগ, এই মুহূর্তে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ নিয়ে একাধিক জটিলতা রয়েছে। বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল গুলিতে যদি এমন পরিস্থিতি হয় তবে উচ্চশিক্ষিত হয়ে চাকরি প্রার্থীরা কোথায় যাবেন? জানা গিয়েছে, এক অসামান্য প্রতিভার অধিকারী প্রত্যুষা সরকার। মাস্টার্সের অধ্যায়নের পাশাপাশি প্রত্যুষা অনুবাদের কাজও করেছেন। তাঁর অনুবাদ করা বেশ কিছু বই সম্প্রতি কলকাতা বই মেলাতেও প্রকাশিত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জানা গিয়েছে তিনি নিজেও বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। কিন্তু এমন একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এমন আচরণ একেবারেই অনভিপ্রেত বলে মনে করছেন অনেকেই।

google-news-icon

লেটেস্ট খবর