Advertisement

Viral : মুখে তাঁর মিষ্টতা, পরনে শাড়ি! কপালে টিপ দিয়ে উল্টো সাজে নেটিজেনদের মন কেড়েছেন ‛পুস্পক’

নেহা চক্রবর্ত্তী, কলকাতা :পরনে শাড়ি পরে হাঁটছেন রাস্তায়। আবার কখনও তাঁকে দেখা যাচ্ছে বৃষ্টির মরশুমে আনমনে বসে আছেন কোথাও। নিখুঁত আঁচল আর পরিপাটি কুচির ভাঁজ যেন কোন শিল্পীর হাতে আঁকা। কি ভাবছেন কোনও মহিলার কথা বলা হচ্ছে! আজ্ঞে না। লিঙ্গভেদের বেড়াজাল ভেঙে এক বাঙালি যুবকের ফ্যাশন যেন প্রতিদিন হয়ে উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন ‘সেনসেশন’। কলকাতার সেই যুবকের নাম পুষ্পক সেন।

img 20220917 151935

 

কলকাতার বাঙালি সেই যুবক। ক্যালকাটা বয়েজ়ে স্কুলজীবন শেষ করেছেন। তার পর আশুতোষ কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করার পরে এ বছর পাড়ি দিয়েছিলেন ইটালিতে। সেখানে তিনি ফ্লোরেন্সের বিখ্যাত ফ্যাশন ইনস্টিটিউট ‘পলিমোডা’-য় ‘ফ্যাশন মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ নিয়ে পড়তে গিয়েছেন। সেখান থেকেই খানিক পুষ্পকের জীবনের নতুন মোড় ঘুরেছিল বলা চলে। সেই সময় বিদেশের মাটিতে পা দিয়েই শাড়ি পরে কয়েকটা ছবি দিয়েছিলেন তিনি নিজের ইনস্টাগ্রামে। তারপর থেকেই বেশ চর্চায় রয়েছেন তিনি।

সেইসময় পুষ্পকের এক সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন এক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। যেখানে তিনি জানান, ‘‘শাড়ি পরলে বা ওই বাহ্যিক সাজে পৌরষত্ব চলে যাবে, তা তো নয়। ভিতরের আমি, আমিই। আমি চেয়েছিলাম, গোটা পৃথিবী শাড়িকে ফ্যাশন-স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখুক।’’এছাড়াও তিনি এর সাথেই যুক্ত করেন “আমরা পশ্চিমের পোশাকে স্বচ্ছন্দ। কিন্তু পশ্চিমের দেশগুলো আমাদের পোশাক সম্পর্কে কতটুকু জানে! এক-একটা শাড়ি, এক-একটা গল্প। সেই গল্প গোটা বিশ্বকে শোনাতে চেয়েছি আমি।’’

সম্প্রতি আবার সমালোচনার মুখে পুষ্পক। গতকাল তিনি একটি ফেসবুকে ফটো সিরিজের জন্য শুট করেছেন। যেখানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে পরিপাটি সাজে। সিরিজটির নাম “রেইনি ডে”। অনেক কুরুচিকর মন্তব্যের মুখে পড়েছেন পুষ্পক। তাঁর কমেন্ট সেকশন জুড়ে শুধুই হাসাহাসি। ২০২২ সালে দাড়িয়েও মানুষ ৯০ দশকের চিন্তাকে আশকারা দিয়েই বেশ জমিয়ে কমেন্ট করছেন বলা চলে। তাহলে কি ভারত এখনও পিছিয়ে! পিছিয়ে রয়েছে যুব সমাজ! গোলাপি আর শুধু মেয়েদের রং নেই এটা কজন মানতে পারছেন এখনও সেটা হয়ত পরিষ্কার নয়। বা পুরুষের পরনে শাড়ি! কপালে লাল টিপ! এগুলোও কি মানতে পারছেন না আজকের এডভ্যান্স যুব সমাজ!

 

 



Follow us on


Advertisement
Back to top button
Advertisement
Advertisement