fbpx

Hooghly: কেন হচ্ছে না ঢালাই রাস্তা? ‘সরকার টাকা পাঠায়নি’, প্রশ্ন করতেই ‘সাফাই’ বেলমুড়ির পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে বারবারই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা ।

বেলমুড়ি: বছর ঘুরতেই পঞ্চায়েত ভোট। নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই জোরদার প্রচারাভিযানে নেমে পড়েছে শাসক বিরোধী সবপক্ষই। এদিকে মাস ঘুরতেই সামনে পুজো। কিন্তু তার আগে লাগাতার বৃষ্টিতে সড়ক যন্ত্রণা চরমে উঠেছে হুগলী (Hooghly) জেলার বেলমুড়ি (Belmuri) গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে বারবারই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা । অভিযোগ, তারপরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। 

সবথেকে বেশি সমস্যা বেড়েছে এই পঞ্চায়েত (Panchayat) এলাকার মেহেরপুর গ্রামে। মেহেরপুরের দু’টি এলাকা দাসপাড়া ও কোলেপাড়াতে ক্রমেই বাড়ছে সড়ক যন্ত্রনা। এখানে বেশ কয়েকটি রাস্তা ঢালাই হলেও। এখনও একাধিক রাস্তা মাটির। ফলে বর্ষাকালে কাদার কারণে এই রাস্তা গুলি কার্যত চলার অযোগ্য হয়ে যায় বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। সঙ্গে বাড়ে সাপের উপদ্রোপ। বছর দুয়েক আগে সমস্যার কথা জানিয়ে ঢালাই রাস্তা করার জন্য গ্রামবাসীদের তরফে পঞ্চায়েত, বিডিও-তে (BDO) ডেপুটেশন দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কাজই হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকী ইতিমধ্যেই সমস্যার কথা জানিয়ে জেলা শাসকের (District Magistrate) কাছেও গিয়েছে চিঠি। যদিও তারপরেও প্রশাসনের তরফে পদক্ষেপই করা হয়নি বলে অভিযোগ। যদিও মেহেরপুরের পার্শ্ববতী একাধিক গ্রামের বহু রাস্তা ঢালাই হলেও মেহেরপুরই বারবার কেন বঞ্চনার শিকার হচ্ছে সে প্রশ্নও উঠছে নানা মহলে। 

belmuri12
ডেপুটেশন ৩১.07.২০২০

এ বিষয়ে বেলমুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নিতাই দাসের দাবি, সরকার থেকে টাকা পাঠানো হয়নি। তাই কাজ হয়নি।  তাঁর কথায়, “সরকার থেকে টাকা পাঠানো হয়নি। যা পাঠানো হয়েছে ওই দু’লাখ-পাঁচ লাখ।” মূলত টাকার অভাবেই নাকি রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে বলে দাবি পঞ্চায়েত প্রধানের। সরকার তরফে টাকা পাঠানো হলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে নিতাইবাবু আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই একটা আশার আলো দেখা যেতে পারে।”

belmuri2
এই রাস্তাগুলিই সাড়াইয়ের দাবি উঠছে

তবে রাস্তা তৈরি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করছেন ধনিয়াখালির বিডিও সৌভিক ঘোষ। তাঁর বক্তব্য “সব রাস্তা তৈরি হয়ে গিয়েছে, হয় তো কিছু বাকি থাকতে পারে সরকার যথার্থ টাকা পাঠালেই কাজ হয়ে যাবে।” অন্যদিকে হুগলির জেলা শাসক দিপাপ প্রিয়া’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাফ কথা, “মেল করুন”। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দুই বছর আগে হয় তো মেইল করা হয়েছে। আর একবার মেইল করে দিলে আমি কাজটা দেখতে পারি।”

অপরদিকে এলকার স্থানীয় বাসিন্দা তাপস কোলের বক্তব্য, দুই বছরের উপর ওই রকম ভাবেই রাস্তাটি পড়ে রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে যাওয়া হলেও দিনের শেষে মেলেনি কোনও সদুত্তর। তিনি বলেন, “শুধুই ওই দুই চত্বরের রাস্তা নয়। বেলমুড়ি স্টেশন থেকে নেমেই মূল সড়কের ক্ষেত্রেও বেহাল দশা দেখা গিয়েছে।”

google-news-icon

লেটেস্ট খবর