fbpx

হাজার প্রতিশ্রুতিতেও অধরা সত্য! কথা দিয়ে নেতাজির অস্থি ফিরিয়ে আনেনি মোদি সরকার

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বলেছেন, তিনি নেতাজির দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনবেন।

অনীশ দে, কলকাতা: ভারতবর্ষের স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের (Subhas Chandra Bose) গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু তাঁর মৃত রহস্য উদঘাটন আজও সম্ভব হয়নি। ভারত সরকার একাধিক কমিশন স্থাপন করে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্য সমাধান করার চেষ্টা করে। তবুও বেশ কিছু মানুষের বক্তব্য, নেতাজি জাপানের বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি। এর সপক্ষে অনেক যুক্তি রইলেও নেতাজি কন্যা অনিতা বোস পান্ডে (Anita Bose Pfaff) সেই সমস্ত যুক্তি আগেই খারিজ করেছেন। এবার তিনি নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে এমন এক মন্তব্য করলেন যা দেখে বিস্মিত সবাই। কী বললেন তিনি?

netaji 3

মৃত্যুর পর নেতাজির দেহের অবশেষ আনা হয় টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে আনা হয়। অনিতা বোস জানান, সেই মন্দির থেকে নেতাজির (Subhas Chandra Bose) দেহাবশেষ নিয়ে যদি ডিএনএ পরীক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যায়। অবশ্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বলেছেন, তিনি নেতাজির দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনবেন। আগে কোনও ভারতীয় সরকার নেতাজিকে (Subhas Chandra Bose) এত বেশি গুরুত্ব দেননি যা এই সরকার দিয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগেই নেতাজির পরিবারের লোকজন নেতাজি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত তথ্য সামনে এবার দাবি জানান।

netaji 4

ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তাদের নিজের বাসভবনে ডাকেন এবং ২,৩২৪ টি নেতাজি সম্পর্কিত অনেক অপ্রকাশিত তথ্য সামনে আনে। যা দেখে মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন সকলে। তবে ২০১৮- র পর এই বিষয়ে নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন। আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫ বছর উপলক্ষে প্রথমবার লাল কেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। স্বাধীন ভারতে এই প্রথমবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্য ছাড়াও উত্তোলন হয় জাতীয় পতাকা। এইটুকু ইঙ্গিতই যথেষ্ট ছিল। এমনকী সেই বছরই ডিসেম্বরের মরশুমে মোদী (Narendra Modi) পৌঁছান আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে। সেখানে পোর্ট ব্লেয়ারের ম্যারিনা পার্কে নেতাজির মূর্তিকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

netaji 2

আগের বছর নেতাজির (Subhas Chandra Bose) জন্মদিনকে পরাক্রম দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলাই বাহুল্য, কংগ্রেস, জোট এবং পূর্বের বাজপেয়ী সরকার সুভাষ চন্দ্র বোসকে এত গুরুত্ব দেননি। অনিতা বোস পাণ্ডের ডি এন এ পরীক্ষার কথা জানাতেই আলোড়ন পরে যায় চারিদিকে। তিনি জানান, আজকের প্রযুক্তি এই ধরনের পরীক্ষা করতে সক্ষম। তাই এই পরীক্ষা করা কোনও বড় ব্যাপারই নয়। আর তাছাড়াও যাদের সন্দেহ রয়েছে যে নেতাজি ১৮ ই আগস্ট ১৯৪৫- এ মারা যাননি, এই পরীক্ষা করলে তাদের সন্দেহ দূর করাও সম্ভব হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জাপান সরকার এই পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। তবে কী মৃত্যুর এত বছর পর আবার নিজের মাতৃভূমিতে ফিরতে চলেছেন নেতাজি?

google-news-icon

লেটেস্ট খবর